থাইল্যান্ডের নাগরিকত্ব পাবার সহজ সুযোগ !

থাইল্যান্ডের নাগরিকত্ব

হাতে টাকা আছে। ইন্ডিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে যাবার প্লান করছেন? এই চিন্তা মাথা থেকে ছুঁড়ে ফেলুন। কারণ এখন আপনি চাইলেই প্রকৃতির আশীর্বাদ ও প্রাকৃতিক নৈসর্গের লীলাভূমি থাইল্যান্ডের বাসিন্দা হয়ে যেতে পারেন ! সেই সুবর্ণ সুযোগটা কি হাতছাড়া করবেন? ভেবে নিন…

কিভাবে পাবেন থাইল্যান্ডের নাগরিকত্ব ?

কিছুদিন আগেই থাইল্যান্ড সরকার সম্পদশালী বিদেশিদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘থাইল্যান্ড এলিট প্রোগ্রাম’ অফার চালু করেছে। এই সুযোগটা ট্রাভেলার্সদের ভ্রমণের ধরন ও অভিজ্ঞতা একেবারেই পাল্টে দেবে। এর প্রধান সুবিধাটি হচ্ছে, এই অফার গ্রহণ করলে মোটা অংকের টাকা ট্যাক্স দেওয়া থেকে বেঁচে যাবেন আপনি।

থাইল্যান্ড রেসিডেন্স প্রোগ্রামটিতে থাকছে ভিআইপি কনসিয়ার্জ সার্ভিস সহ বিলসাবহুল ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, যা থাইল্যান্ডকে আপনার কাছে আপন করে তুলবে। আপনি পাবেন নিজ দেশের বাড়ির বাইরে আরেকটা বাড়ি, যেখানে মন চাইলেই আপনি ছুটে যেতে পারবেন অবসর কাটাতে কিংবা আপনার ব্যবসায়িক মিটিংয়ে !

ভিআইপি কনসিয়ার্জ সার্ভিস

থাইল্যান্ড একটি মোহনীয় জায়গা, যেখানে সাধারণত সবাই যায় আনন্দময় ছুটি কাটানো কিংবা ব্যবসায়িক ভ্রমণের উদ্দেশে। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক দর্শনীয় স্থান হওয়ায় এবং কয়েক সপ্তাহের বেশি সময়ের জন্য ভিসা পাওয়ার শর্তাবলীর কারণে এটিকে ওয়ান-স্টপ ভ্রমণ সুবিধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সুবিধা ও খরচ

থাইল্যান্ড এলিট প্রোগ্রাম দিচ্ছে পাঁচ বছরের জন্য বহুমুখী এন্ট্রি ভিসা, যা আপনার পছন্দের প্যাকেজ অনুযায়ী নবায়ন করা যাবে। এই অফারে থাকছে একজন ব্যক্তিগত ভ্রমণ কনসিয়ার্জ, ভিআইপি অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্ভিস, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করার সুবিধা, থাইল্যান্ড স্পা প্যাকেজ, এমনকি আপনি যা যা প্রত্যাশা করেন তার সবই পাবেন। এই অফারটি তিনটি মূল্যমানে উপভোগ করা যাবে, যা সর্বনিম্ন পাঁচ বছরের জন্য ১৫ হাজার মার্কিন ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ বিশ বছরের জন্য ৬০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত। এটি আপনাকে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের মতই থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিনের জন্য অবস্থান করার একটি অনন্য সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। থাইল্যান্ডের নাগরিকত্ব পাবার পুরো সুবিধাই আপনি এতে ভোগ করতে পারবেন।

ব্রেক্সিট এর আওতায় থাকায় দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে সুন্দর সমাধান হতে পারে থাইল্যান্ডকে সেকেন্ড হোম হিসেবে বেছে নেওয়া এবং উচ্চহারে কর লভ্যাংশের অসাধারণ প্রাণশক্তি উপভোগ করা। থাইল্যান্ডে শুধু দেশীয় উৎস থেকে আয়ের ওপর কর দিতে হয়, আর বৈদেশিক উৎসের আয় করের আওতামুক্ত।

অবসর কাটান প্রাকৃতিক নৈস্বর্গে

অবসর নেওয়া মানে জীবনকে যেনো নতুন করে ফিরে পাওয়া। এই জীবনটা হওয়া উচিত আপনার ২০ বছরের একেবারে দুরন্ত আর নিয়মের বাইরের জীবন-যাপন, মধ্য বয়সের ভাবপ্রবণতার ছোঁয়া এবং সারাজীবন নিজের মধ্যে যত্ন করে লালন করা ভ্রমণ পিপাসার মিশ্রণ। থাইল্যান্ডের মতো অপূর্ব সুন্দর জায়গার বাসিন্দা হওয়া একটি অন্যরকম রোমাঞ্চকর বিষয় হতে পারে। এটি কেবল ঘুরতে গিয়ে হোটেল খোঁজা এবং দর্শনীয় স্থানগুলো দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো ভ্রমণ নয়। এ ধরনের একটি প্রোগ্রাম আপনাকে এখানে বাড়ি বানিয়ে দীর্ঘদিনের জন্য বসতি স্থাপনের এক অনন্য সুযোগ দিচ্ছে।

থাইল্যন্ডের আছে সাশ্রয়ী জীবন-যাপন সুবিধা, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং জীবনযাত্রার উন্নতমান। দেশটি গত কয়েক দশকে ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নতি সাধন করেছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিম্ন আয় থেকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।

থাইল্যান্ডের সেরা পর্যটন কেন্দ্রগুলো

ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের তথ্য সবসময় আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। যারা ভ্রমণ ভালোবাসেন তাদের প্রায় সবাই নিজের দেশের পাশাপাশি বাইরের দেশগুলোর দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে চান। এশিয়া মহাদেশের পর্যটকদের জন্য শুধু নয়, বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের কাছে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য অন্যতম পছন্দের দেশ। থাইল্যান্ড মূলত সাগর তীরবর্তী একটি দেশ। তবে দেশটির মধ্যভাগে সমভূমি, পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিক ঘিরে রেখেছে পাহাড় ও মালভূমি। পশ্চিমের পর্বতশ্রেণি দক্ষিণ দিকে মালয় উপদ্বীপে প্রসারিত হয়েছে। থাইল্যান্ড জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ‘সিটি অব অ্যাঞ্জেলস’ নামে পরিচিত। খুশির রাজ্যে দেবতাদের শহর- খুশি না হয়ে উপায় আছে? আসল থাই জাতিকে খুঁজে পেতে হলে যেতে হবে ব্যাংকক। চাও ফারায়া নদীর পশ্চিম তীরে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত ব্যাংকক। ব্যাংককের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ চাও ফারায়া নদীর পশ্চিমতীরে না ফ্রা লারন রোডের ওপর প্রায় এক বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত প্রাচীন রাজপ্রাসাদ। এই রাজপ্রাসাদ থাই জাতির পুরানো দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।

এছাড়া প্রাসাদ চত্বরে অবস্থিত পান্নার বুদ্ধ মন্দির প্রকাশ করে থাইদের পুরানো ঐতিহ্য। মন্দিরের বাইরের ও ভেতরের দেয়ালে নানা ভাস্কর্য, ফ্রেসকো ও সূক্ষ্ম কারুকাজ রয়েছে। বুদ্ধের মূর্তিটি একটিমাত্র জেড পাথর কেটে তৈরি। প্রাসাদ চত্বরে আরও বেশ কয়েকটি মন্দির এবং কম্বোডিয়ার আঙ্কোরভাটের একটি মিনিয়েচার মডেল আছে। ব্যাংকক মন্দির, বুদ্ধের মূর্তি, রাজপ্রাসাদ, মিউজিয়াম, পার্ক সবকিছু মিলিয়ে ব্যাংকক ট্যুরিস্টদের জন্য একটি আদর্শ শহর।

থাইল্যান্ড এলিট প্রোগ্রাম অফারটি উপভোগ করার মাধ্যমে আপনিও হতে পারেন চমৎকার এই শহরটির একজন বাসিন্দা। শুধু ট্যুরিস্ট নয়, বরং থাইল্যান্ডের নাগরিকত্ব নিয়ে এখানকার বাসিন্দা হয়েই বসবাস করতে পারেন।

( থাইল্যান্ডের নাগরিকত্ব ও এ সংক্রান্ত আরো জানতে ভিজিট করুন www.thailandelite-direct.com ওয়েবসাইটে! )

Comments

comments